


কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে গরুর পচা মাংস বিক্রির অভিযোগে এক মাংস বিক্রেতা (কসাইয়ের) ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ ১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার বিকাল ৫ টার দিকে ফুলবাড়ী বাজারে উপস্থিত হয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনোয়ার হোসাইন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে মাংস বিক্রেতা ইকরামুল হকের ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও এক মাসের কারাদণ্ড দেন। এ উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভেটেনারিটি সার্জন গোলাম মওদুদ আহমেদ ও ফুলবাড়ী থানা পুলিশের সদস্যরা।
এর আগে বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে ফুলবাড়ী বাজারে গরুর পচা মাংস বিক্রির সময় কসাই একরামুল হককে হাতেনাতে আটক করে স্থানীয় জনতা। এরপর স্থানীয় জনতা দ্রুত পুলিশ ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনোয়ার হোসাইনকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে গরুর পচা মাংস বিক্রির সত্যতা পেয়ে ওই মাংস বিক্রেতা একরামুল হকের অর্থদণ্ডসহ ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
শেষ বিকালে ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনোয়ার হোসাইন এবং উপজেলা ভেটেনারিটি সার্জন গোলাম মওদুদ আহমেদ ও ফুলবাড়ী থানার পুলিশের উপস্থিতি পচা মাংস জব্দ করে ওই ব্যবসায়ীর মাধ্যমে জনসম্মুখে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়। ওই মাংস বিক্রেতা একরামুল হক হলেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের চন্দ্রখানা গ্রামের ওমর আলীর ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনোয়ার হোসাইন জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে পচা মাংস বিক্রির অভিযোগে ভোক্তা সংরক্ষণের আইনে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে মাংস বিক্রেতা তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন এবং জব্দকৃত পচা মাংস গুলো জনস্বার্থে ধ্বংস করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। রমজান মাসে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এমন কোনো কার্যক্রম বরদাস্ত করা হবে না। নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।