পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৪ জুন) দুপুরে মোস্তাফিজুর রহমান নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বোচাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সময় তার সাবেক স্ত্রী ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতেন এবং এর আগেও তাদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ ও নির্যাতনের অভিযোগ ছিল। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং কারা জড়িত, তা তদন্তের আগে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দিনাজপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (কাহারোল সার্কেল) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “আহত অবস্থায় মোস্তাফিজুর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। আমরা ঘটনাস্থল ও তার আবাসস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনায় কারা জড়িত, তা পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের সাবেক স্ত্রীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য এবং নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে, এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বোচাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।