এলাকাবাসী ও ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ জানান,
নিহত যুবক অভাব অনটনের কারণেই প্রায় সময় মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় সময় মনোমালিন্য দেখা দিত। এই অশান্তি থেকে মুক্তি পেতে এক পর্যায়ে স্ত্রী নিজেই গত এক বছর আগে তার স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দেন। তার দুইটি সন্তানও রয়েছে। সেই সন্তানরা স্থানীয় মাদ্রাসায় থাকেন। স্ত্রী চলে যাওয়ার পর থেকে মানসিক ভাবে আরো বেশি ভেঙে পড়েন। আয় রোজগারও নেই। খরচও দ্বিগুন। পেটের ব্যথা জনিত রোগে ভুকছেন দীর্ঘদিন ধরে। বাবা-মাও থাকেন আবার অন্য এলাকায়। তাই সব সময় হতাশাগ্রস্ত ভাবে চলতে ফিরতে হতো তাকে।
সেই হতাশা থেকে নিজেকে বাঁচতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিষ পান করেন। পরে বিষপানের অসহ্য যন্ত্রণায় শুরু হলে তার আত্মচিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে দ্রুত উদ্ধার করে ফুলবাড়ী হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার অবস্থার অবনতি হলে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শুক্রবার সকালে সেখানে তার মৃত্যু হয়। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত যুবকের মরদেহ লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম বিষপানে যুবকের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।