


হেমন্ত মানেই নবান্ন উৎসব। আউশ ধান থেকে চাল করে প্রথম রান্নার দিনই মূলত নবান্ন। হেমন্তের রেশ কাটতে না কাটতেই আসে শীত, তাই হেমন্তকে বলা হয় শীতের পূর্বাভাস। এজন্যই হেমন্তের নতুন চালে শীতে পিঠা বানানোর ধুম পড়ে যায়। শীত মানেই বাহারি রকমের পিঠা তৈরির আয়োজন। চলুন আজ জেনে নেই তেমনই কিছু জনপ্রিয় পিঠার কথা- ভাপা পিঠা। ভাপা পিঠা চালের গুঁড়া, গুড়, নারকেলের শাস দিয়ে জলীয় বাষ্পের ভাঁপে তৈরি করা হয়। ভাঁপে তৈরি করা হয় বলেই এ পিঠার নাম ভাপা পিঠা। গ্রাম অঞ্চলে এ পিটা ভাপা নামেও পরিচিত। রাস্তাঘাটে এমনকি রেস্তোরাঁয়ও আজকাল ভাপা পিঠা পাওয়া যায়। এ পিঠার নানা ধরনের মধ্যে আছে মিষ্টি ভাপা ও ঝাল ভাপা। শীতকাল মানেই কনকনে হিমেল হাওয়া আর কুয়াশার চাদর ভেদ করে পিঠাপুলির উৎসবে মেতে ওঠা। গ্রামবাংলার প্রতিটি বাড়িতে তখন এক অঘোষিত মহোৎসব। লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার চিরার মিলে এলাকা থেকে ছবিগুলো তোলা রাহেবুল ইসলাম টিটুল। ভাপা পিঠা তৈরির জন্য চুলা প্রস্তুত। হাড়িতে পানি বসিয়ে তার উপর ছিদ্রযুক্ত মাটির সানকি দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। গরম ভাপে সিদ্ধ হবে পিঠা তার সাথে রয়েছে গরম গরম হাসের ডিম ।