সোমবার (২ ডিসেম্বর) বেলা ১২ টায় উপজেলার রাণীগঞ্জ খাদ্য গুদামে এ সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্ভোধন করা হয়। এ উপজেলার ৭১টি হ্যাসকিং মিলের সাথে ৬৪২ মে. টন চাল দেওয়ার চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ এ কার্যক্রমের উদ্ভোধন করেন।
উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ইউনুছ আলী, ইন্সপেক্টর জোসেফ হাঁসদা, রাণীগঞ্জ খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজবানুল হক, মিল চাতাল মালিক মাহফুজার রহমান লাবলু, ধান-চাল ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ, গুদামের কম্পিউটার অপারেটর মাসুদ রানা আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।
খাদ্যগুদাম সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৪৭ টাকা কেজি দরে ৬৪২ মে. টন চাল ও ৩৩ টাকা কেজি দরে ৮০১ মে. টন ধান কেনা হবে। এই কার্যক্রম আগামী ২০২৫ সালে ২৮ ফেব্রæয়ারী পর্যন্ত চলবে।
এসময় মিল চাতাল মালিক মাহফুজার রহমান লাবলু বলেন, বর্তমান বাজার দরের চেয়ে সরকারি বেধে দেওয়া দামে চাল সরবরাহ করতে গিয়ে দেশের সার্থ বিবেচনা করে তাদের কেজি প্রতি কেজি চালে ৩ টাকা করে লোকসান দিয়ে গুদামে সরবরাহ করতে হচ্ছে। এছাড়া বাজার দরের তুলনায় সরকারি ভাবে ধানের মূল্য কম হওয়ায় এবারও ধান কেনার লক্ষমাত্র ব্যাহত হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ রফিকুজ্জামান জানান, তার দপ্তর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬০০ জন কৃষকের তালিকা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কার্যালয়ে দাখিল করা হয়েছে।