ইরানে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসনের মধ্যে আবার দাম বাড়ল জ্বালানি তেলের। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে ব্যবসায়ীদের পর্যালোচনার মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এ অবস্থা দাঁড়াল। যদিও ইরান জানিয়েছে যে, তাদের আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই। এর পাশাপাশি রাশিয়া ও পারস্য
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়েই জ্বালানি সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর আঁচ লেগেছে বাংলাদেশেও। দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসেরও কম সময়ে সরকার জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছে। এই অবস্থায় নানা বিকল্প উপায়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে আশার কথা
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে হঠাৎ করেই বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে গেছে। অনেক দোকানে প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও ক্রেতাদের একাধিক দোকান ঘুরেও তেল কিনতে হচ্ছে। এ অবস্থায় খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দামও বেড়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন,
দেশে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেল কিংবা ভোজ্যতেলের কোনো সংকট নেই। বাজারেও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে দামও বাড়ার সম্ভাবনা নেই। সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে ভোজ্যতেলের সরবরাহ নিয়ে উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে জরুরি বৈঠক
জ্বালানি তেল বিপণনে ফিলিং স্টেশনের নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশি টহল জোরদার করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। রোববার (৮ মার্চ) পাঠানো এ চিঠিতে বলা হয়, দেশে জ্বালানি তেল বিপণনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুত
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের পাম্পগুলো থেকে জ্বালানি তেল কেনার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, দিনে একটি মোটরসাইকেল ২ লিটার
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সামরিক উত্তেজনা বিশ্বের জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের মতো জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর। বিশেষ করে দেশের মোট ব্যবহৃত জ্বালানির প্রায় ৭০ শতাংশই আসে মধ্যপ্রাচ্য
ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের মতো মার্চ মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৩৪১ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) নতুন এ মূল্যের ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। যা আজ সন্ধ্যা থেকে
১১ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার এক লাফে ভরিতে বেড়েছে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। ফলে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা। গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক
বিশ্ববাজারে কিছুটা বেড়েছে স্বর্ণের দাম। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাকে ঘিরে উদ্বেগের মধ্যে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে বিশ্ববাজারে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মূ্ল্যবান এই ধাতুর দামে উত্থান দেখা গেছে। তবে কমেছে রুপার দাম। বার্তা সংস্থা