1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
কিশোরগঞ্জে দুই সন্তানের জননীকে অপহরণ | দৈনিক সকালের বাণী
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ন

কিশোরগঞ্জে দুই সন্তানের জননীকে অপহরণ

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩৫ জন দেখেছেন
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে প্রথম স্ত্রীকে রেখে  দুই সন্তানের জননীকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার  অভিযোগ পাওয়া গেছে  নওশাদ নামে এক বকাটে যুবকের বিরুদ্ধে। গত সোমবার সকাল  সাড়ে ১১টার দিকে নীলফামারী সদর  উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের তিন থানার মোড় নামক এলাকায় মামা শশুর  মিজানুর রহমানের বাড়ি থেকে  এ অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
উক্ত ঘটনায়  ভুক্তভোগীর বাবা মিজানুর রহমান বাদী হয়ে গত সোমবার (২৩মার্চ) সন্ধ্যায় নীলফামারী সদর থানায় নওশাদকে প্রধান করে দুই জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত নওশাদ কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের ভেড়ভেড়ি কাচারি পাড়া গ্রামের আব্দুল  আজিজের ছেলে। অপর সহযোগী বন্ধু মাসুম একই এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে কচুকাটা ইউনিয়নের তিন থানার মোড় এলাকার মিজানুর রহমানের বাড়িতে তার ছোট শ্যালিকার জামাতা  নওশাদ হোসেন ও তার বন্ধু  মাসুমসহ মাইক্রোবাস যোগে দাওয়াত খেতে যান। দাওয়াত খাওয়া শেষে অভিযুক্ত নওশাদ ও তার বন্ধু মাসুম ছদ্মনাম পারুল নামে ২ সন্তানের জননীকে জোরপূর্বক মাইক্রো বাসে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। মিজানুর রহমান তার অভিযোগে আরো বলেন,আমার বিবাহিত মেয়েকে ছোট শ্যালিকার জামাতা ও দুই সন্তানের জনক নওশাদ দীর্ঘদিন যাবত প্রেম -ভালবাসা ও  কু-প্রস্তাবসহ বিয়ের প্রলোভন দেয়। আমার মেয়ে বিবাহিত ও তার ঘরে ২ সন্তান রয়েছে।
এ মর্মে  তাকে একাধিকবার বারণ করা সত্ত্বেও  আজকে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে আমার জামাতার সংসারকে তছনছ করে দিয়েছে। আমার পরিবার থেকে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে  নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, অভিযোগ এখনো হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে  আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )