বিভিন্ন ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক কৃষক এতে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন জাতের সবজি বীজ, জৈব বালাইনাশক ও হলুদ ফাঁদ প্রদান করা হয়।
কর্মশালায় কৃষক জাহিদুল ইসলাম ও তমিজ উদ্দিন বলেন, এখানে এসে জানতে পারলাম অধিক পরিমাণে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করলে জমির ক্ষতি হয়। এছাড়া এতে পরিবেশ ও আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। সেই সাথে মানুষ এসব কৃষি পণ্য গ্রহণ করলে তাদেরও স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়।
ব্র্যাক রংপুর রিজিওনের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (সেলস) মো. রশীদুল ইসলাম কর্মশালায় উন্নত জাতের বিভিন্ন ফসল চাষের পদ্ধতি, জৈব সার ও বলাইনাশক ব্যবহার করে কৃষির উন্নয়নে পাশাপাশি পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য রাখেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল জব্বর বলেন, কৃষির উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ফসলের উৎপাদন বাড়তে নির্বিচারে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা যাবে না। টেকসই কৃষি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে।
উক্ত কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে ব্র্যাকের কুড়িগ্রাম টেরিটরি সেলস অফিসার মাহাবুব আলম, এসএসও বিজয় হোসাইন ও ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুজন উপস্থিত ছিলেন।