


দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভার আলম মিয়া (৬০) নামে এক ব্যক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৭ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলম মিয়া ওই এলাকার মৃত মোখছেদ শেখের ছেলে। তিনি পেশায় স্থানীয় একটি গাছ ফাড়াই মিলে কাজ করতেন। অনেক আগে প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রী রোজিনাকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে আলম মিয়া স্ত্রীকে মারধর করতে গেলে রোজিনা আতঙ্কিত হয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে স্বজনদের ডেকে আনতে যান। কিছু সময় পর বাড়িতে ফিরে এসে রোজিনা উঠানে আলম মিয়াকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং গলা কাটা অবস্থায় তিনি পড়ে ছিলেন। তখনও তিনি জীবিত ছিলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলম মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ঘোড়াঘাট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর সুবহান মন্ডল জানান, কয়েক দিন ধরেই আলম মিয়া আত্নহত্যার কথা বলছিলেন বলে শোনা গেছে। এই পরিবারের সকলে বদমেজাজি। ৩৫ থেকে ৩৬ বছর আগে আলম মিয়ার বাবা মোখলেছ শেখ গলায় ফাঁস দিয়ে এবং ২২ থেকে ২৩ বছর আগে বোন জেলেখা বিষপানে আত্নহত্যা করেছিল।
বিষয়টি নিয়ে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।