1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
বিদ্যুতের দাম ২৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন

বিদ্যুতের দাম ২৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ২১ জন দেখেছেন
পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কথা ভাবছে সরকার। ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম ২৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পাশাপাশি আবাসিক গ্রাহকদের বিলের ধাপ বা স্ল্যাব একীভূত করা, বেসরকারি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিক বিলের আওতায় আনাসহ গণশুনানি ছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
 

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) জমা দেওয়া বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি) এবং কয়েকটি বিতরণ কোম্পানির প্রস্তাবে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

পর্যালোচনা করা নথির বরাতে দ্য ডেইলি স্টার বলছে, প্রস্তাব কার্যকর হলে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়বে মাসে ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর ওপর।

জ্বালানি আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি, অলস বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জ ও বিতরণ কম্পানিগুলোর ক্রমবর্ধমান লোকসানের কারণ দেখিয়ে পিডিবি পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৭ থেকে ২১ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।

সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানিগুলো বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে খুচরা পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের জন্য ১৫ থেকে ২৯ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানোর আবেদন জমা দিয়েছে।

 

এই প্রস্তাব অনুমোদন হলে দেশের প্রায় ৪ কোটি ৯৫ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহক এর প্রভাবের মুখে পড়বেন। বিদ্যমান ট্যারিফ কাঠামোর কারণে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিতরণ সংস্থাগুলোর সম্মিলিত লোকসান দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা। তাদের আশঙ্কা, সমন্বয় না করা হলে ২০২৬ অর্থবছরে এই ঘাটতি ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। অধিকাংশ সংস্থাই আগামী ১ জুন থেকে নতুন দাম কার্যকর করতে চায়।

 

পিডিবির প্রস্তাব অনুসারে, জ্বালানির দাম বাড়লে প্রতি ছয় মাস পরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করতে হবে। সাধারণত আবাসিক গ্রাহকেরা কত ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তার ওপর ভিত্তি করে ধাপে ধাপে বিল নির্ধারিত হয়। বর্তমানে প্রথম ৭৫ ইউনিটের দাম সবচেয়ে কম। পিডিবি এখন শূন্য থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত একটিমাত্র ধাপ করার প্রস্তাব দিয়েছে। এতে ৭৫ ইউনিটের বেশি ব্যবহারকারীরা প্রথম ধাপের কম দামের সুবিধাটি হারাবেন।

 

বর্তমানে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারী একজন গ্রাহক ধাপে ধাপে ১ হাজার ২৯৪ টাকা ৫০ পয়সা বিল দেন। প্রস্তাব অনুযায়ী শুধু ধাপ বদলের কারণেই এই বিল ১৪৫ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে ১ হাজার ৪৪০ টাকা হবে। এর সঙ্গে পিডিবির প্রস্তাবিত নতুন দর কার্যকর হলে ওই গ্রাহকের বিল ৩৪৫ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে ১ হাজার ৬৪০ টাকা হবে। ডিপিডিসিও বস্তি এলাকার জন্য বিদ্যমান ধাপভিত্তিক ব্যবস্থা তুলে দিয়ে ফ্ল্যাট ট্যারিফ চালুর কথা বলেছে।

প্রস্তাবে অনুসারে, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে প্রচলিত বাণিজ্যিক ট্যারিফের দ্বিগুণ হারে বিল দিতে হবে। ওজোপাডিকো বলেছে, ইজিবাইক চার্জিং স্টেশনের আলাদা ট্যারিফ বাতিল করে সরাসরি বাণিজ্যিক রেট বসাতে হবে। বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি রিচার্জে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়, যা ওজোপাডিকো বাতিল বা কমানোর প্রস্তাব করেছে। ডিপিডিসি প্রিপেইড গ্রাহকদের ক্ষেত্রে নতুন করে জামানত বা সিকিউরিটি চার্জ আরোপের কথা বলেছে।

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (ডেসকো) ও নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) প্রস্তাবে ‘পাস-থ্রু’ ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে পাইকারি দাম বাড়লে তা সরাসরি গ্রাহকের খুচরা বিলে যুক্ত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )