1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
বিয়ের প্রলোভনে সম্পর্ক, টাকা ও স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগ | দৈনিক সকালের বাণী
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন

বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন: বিয়ের প্রলোভনে সম্পর্ক, টাকা ও স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগ

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ১৮ জন দেখেছেন

রংপুরের পীরগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন সম্পর্ক গড়ে তোলা, নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী। বৃহস্পতিবার পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শারমিন আক্তার সুমী অভিযোগ করেন, স্বামীর মৃত্যুর পর একাকী জীবনযাপনের সুযোগ নিয়ে চতরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জিয়া তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছ থেকে নগদ ২২ লাখ টাকা ও প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণালংকার গ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান জিয়া। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গাইবান্ধা জজ কোর্টে নিয়ে এফিডেভিট করলেও বিয়ে নিবন্ধন বা সামাজিক স্বীকৃতির বিষয়ে টালবাহানা করতে থাকেন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের সামাজিক স্বীকৃতির জন্য চাপ দিলে একপর্যায়ে চতরাহাটে বিশিষ্ট ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠান সুমাইয়া বস্ত্র বিতানে স্থানীয় কওমী মাদ্রাসার হাফেজ শরিফুল ইসালামকে দিয়ে ইসলামী শরিয়াহ্ মোতাবেক ২০ লক্ষ টাকা দেন মোহর নির্ধারন করে গভীর রাতে বিবাহ পড়ান। তাঁকে সামাজিতভাবে মৌলভী দিয়ে বিয়ে পড়ানো হলেও কোনো বৈধ কাগজপত্র দেওয়া হয়নি। বিয়ের স্বীকৃতি ও সংসারে তুলে নেওয়ার দাবি জানালে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতে থাকেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের সামাজিক স্বীকৃতির জন্য টাল বাহানা করতে থাকলে একপর্যায়ে জিয়ার বাড়ীতে অবস্থান করলে জিয়াসহ তার পরিবারের সদস্যরা তাঁকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এক পর্যায়ে জোরপূর্বক কিছু সাদা কাগজ ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলেও দাবি করেন।

শারমিন আক্তার সুমী বলেন, গত ২ জুন এ ঘটনায় পীরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ দায়েরের পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন। এসব মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে চলতি মাসের ১৪ জুন আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমার অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে, আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এ বিষয়ে অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান জিয়ার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )