1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ঘোড়াঘাটে কুরবানির পশু বিক্রি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে প্রাণিসম্পদ দপ্তর | দৈনিক সকালের বাণী
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন

ঘোড়াঘাটে কুরবানির পশু বিক্রি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে প্রাণিসম্পদ দপ্তর

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ৩০ জন দেখেছেন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে কুরবানির পশুর হাট ও বিক্রি কার্যক্রম সুষ্ঠু, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রাণিসম্পদ দপ্তর। কৃত্রিমভাবে মোটাতাজাকরণ, অসুস্থ পশু বিক্রি ও ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার রোধে মাঠ পর্যায়ে নজরদারি জোরদার করেছে দপ্তরটি।

 

উপজেলার বিভিন্ন খামার, পশুর হাট ও বাজারে নিয়মিত পরিদর্শন করছেন প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে খামারিদের সচেতন করতে চলছে প্রচার-প্রচারণা ও পরামর্শ কার্যক্রম।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় কুরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ৬ হাজার ৫০০টি হলেও খামার পর্যায়ে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষসহ প্রায় ৭ হাজার ২৪৮টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া গৃহস্থ পরিবারগুলোতেও আনুমানিক আরও ৮ থেকে ৯ হাজার কুরবানি উপযোগী পশু প্রস্তুত রয়েছে।

 

উপজেলার খামারি ঘোড়াঘাট পৌরসভার নেচার ফ্রেশ ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী শাহ নেওয়াজ বলেন, প্রাণীসম্পদ দপ্তর থেকে ইতিমধ্যেই আমাদের নির্দেশনা হয়েছে যে, কোনোভাবেই কেমিকেল জাতীয় কোনো কিছু দিয়েই পশু মোটাতাজা করা যাবেনা। এবং আমরা তাদের নির্দেশনা মোতাবেক প্রাকৃতিক উপায়েই পশু মোটাতাজা করে সেগুলো হাটে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করেছি।

 

ঘোড়াঘাট উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রবিউল ইসলাম বলেন, কুরবানির পশু মোটাতাজাকরণে কোনো ধরনের স্টেরয়েড, হরমোন বা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার না করতে খামারিদের কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাজারে যাতে অসুস্থ বা কৃত্রিমভাবে মোটাতাজাকৃত পশু প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, পশুর হাটগুলোতে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ক্রেতারা যেন সুস্থ ও নিরাপদ পশু কিনতে পারেন, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯ অনুযায়ী বিক্রি করতে আনা কোনো প্রাণিকে নির্যাতন বা অপ্রয়োজনীয় নিষ্ঠুরতার ক্ষেত্রে অপরাধীর সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত বিধান রয়েছে।

 

এদিকে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় খামারি ও সাধারণ ক্রেতারা। তারা বলছেন, নিয়মিত তদারকি থাকলে বাজারে ভেজাল ও ক্ষতিকর উপায়ে মোটাতাজাকৃত পশু বিক্রি অনেকটাই কমে আসবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )